নিজস্ব প্রতিবেদক
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আদলে দুস্থ কার্ড তৈরি করে প্রায় ২০ হাজার মানুষের কাছ থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন ধাইনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ।
সোমবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্সের মালিক জেসমিন বেগম। তিনি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আদলে ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ স্লোগান ব্যবহার করে একটি দুস্থ কার্ড চালু করেন। প্রতিটি কার্ডের জন্য ৫ হাজার টাকা করে নেন। ২০ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা আদায় করার অভিযোগ আছে। এছাড়া কার্ডধারীদের ৩০ কেজি নিম্নমানের চাল দেয়ার কথা বলে ৫০০ টাকা করে নেয়া হয়েছে।
চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি জানার পর গত ৫ এপ্রিল ওই প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করা হয়। এর আগে ৬ এপ্রিল তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। ৭ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনুজ চন্দের নেতৃত্বে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযোগের সত্যতা পায় তারা। পরে তাদের কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ টনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সদরের সহকারী কমিশনারকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মেসার্স মাসকুরা ট্রেডার্স ও জেসমিন বেগমের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ধাইনগর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য গোলাম রাব্বানী টিটু, স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম ও গোলাম জাকারিয়া প্রমূখ।